মালদা

ছিনতাই করে পালানোর সময় আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রামবাসীদের হাতে ধরা পরল তিন যুবক

মোবাইল ফোন ছিনতাই করে পালানোর সময় তিন যুবককে হাতে নাতে ধরে ফেললো  গ্রামবাসীরা। এরপরেই চলে ওই যুবকদের উপর গণধোলাই। তারপরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাদেরকে।

            জানা যায়, রসিকপুর, আকালপুর গ্রামের বানভাসিরা আশ্রয় নিয়েছে পাঁচপাড়া গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সেখানে সামসী যাওয়ার পথে ৮১ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর এক যুবক তার মোবাইল ফোনে কথা বলছিল। অভিযোগ সেই সময় একটি এপারচি মোটরবাইকে করে তিন যুবক সামসীর দিকে যাচ্ছিল। তারা ওই যুবককে লাথি মেরে মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে পালিয়ে যায়। যুবকটি চোর চোর বলে চিৎকার করতে থাকে এরপর তারা খোঁজাখুঁজি করে কিছু পায়নি। আশেপাশের সমস্ত এলাকায় খবর জানাজানি হয়ে যায়। জানা গিয়েছে, আকালপুর থেকে একলক্ষি মোড়ের দিকে যাচ্ছিল সেই ছিনতায়ের দলটি। কিন্তু সেই সমস্ত এলাকা জলমগ্ন থাকায় তারা আবার ফিরে আসে ছিনতাই করার যায়গার দিকে। সেই পথ দিয়ে আসার সময় শ্রীকৃষ্ণ মুরিয়াকোন ব্রিজের কাছে দাড়িয়ে থাকা একটি লরির সাথে মোটরবাইকটির ধাক্কা লাগে। ঘটনাস্থলে পরে যায় ওই ছিনতাইয়ের দল। ওই ব্রিজে আশ্রিত বানভাসিরা তাদেরকে ধরে ফেলে চোর সন্দেহে। এরপরেই চলে গণধোলাই।

            গ্রামবাসীরা জানান, সেই সময় ওই যুবকদের কাছ থেকে একটি পিস্তুল ও দুই রাউন্ড গুলি পরে যায়। সেখানে থাকা এক গ্রামবাসী এম ডি জামানের কাছে রাখা হয় উদ্ধার হওয়া পিস্তুল ও গুলি। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় গাজোল থানার পুলিশ। পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। জানা গিয়েছে ধৃতদের প্রত্যেকের বাড়ি ইটাহার থানার কুয়োপুর গ্রামে। তাদের নাম সাহেব হুসেন (২১), সাগর সরকার (১৮), হামিম সেখ (২০)। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় একটি পিস্তুল ও দুই রাউন্ড গুলি সহ যুবকের মোবাইল ফোনটি যার বাজার মূল্য ১০ হাজার টাকা। ঘটনার তদন্তে পুলিশ।  

                গ্রামবাসী এম ডি জামানের কাছে রাখা পিস্তুল ও গুলি নিয়ে সে থানায় গেলে পুলিশ তাকেও নাকি থানায় সারা রাত্রি আটক করে রাখে এরপর আজ সকালে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বলে জানায় তার পরিবারের সদস্য।